সিদ্ধান্তকৌমুদী: ন বেতি বিভাষা

সিদ্ধান্তকৌমুদী ন বেতি বিভাষা

সিদ্ধান্তকৌমুদী – ন বেতি বিভাষা


উৎস:- আচার্য ভট্টোজি দীক্ষিত সিদ্ধান্তকৌমুদী গ্রন্থের পূর্বার্ধে এই পাণিনীয় সূত্রটির অবতারনা করেছেন।

বৃত্তি:- নিষেধবিকল্পয়োর্বিভাষাসংজ্ঞা স‍্যাৎ।

সূত্রার্থ:- নিষেধ ও বিকল্প এই দুয়ের (মিলিতভাবে) বিভাষা সংজ্ঞা হয়।

ন বেতি বিভাষা সূত্রব‍্যাখ‍্যা:-

এখানে সংজ্ঞী অংশে তিনটি পদ আছে। ন, বা এবং ইতি। ইতি শব্দটি কাকাক্ষিগোলক ন‍্যায়ে বা মধ‍্যমণিন‍্যায়ে বা দেহলীদীপন‍্যায়ে ন এবং বা দুটি শব্দের সঙ্গেই আন্বিত হবে। অর্থাৎ বুঝতে হবে ন ইতি, বা ইতি। ন শব্দের অর্থ নিষেধ এবং বা শব্দের অর্থ বিকল্প। উভয়ের মিলিতভাবে বিভাষা সংজ্ঞা হবে। সূত্রের তাৎপর্য হল যেখানে যেখানে বিভাষা বিধান করা হবে, সেখানে সেখানে নিষেধ ও বিকল্পকে উপস্থিত করতে হবে। বিভাষা তিনপ্রকার হতে পারে। যথা- প্রাপ্ত বিভাষা, অপ্রাপ্ত বিভাষা ও উভয়ত্র বিভাষা। নিত‍্য প্রাপ্তি থাকলে বিকল্পের বিধান করা হলে, হবে প্রাপ্ত বিভাষা। প্রাপ্ত বিভাষা যেমন- ‘বিভাষা জসি’। প্রাপ্তি নেই অথচ বিকল্পের বিধান করা হলে, হবে অপ্রাপ্ত বিভাষা। যেমন- তীয়স‍্য ঙিৎসু বা। কিন্তু অংশে নিত‍্য প্রাপ্তি আছে, কিন্তু অংশে প্রাপ্তিই নেই, কিন্তু সমস্ত অংশে বিকল্প বিহিত হচ্ছে, এমন ক্ষেত্রে হবে উভয়ত্র বিভাষা বা প্রাপ্তাপ্রাপ্ত বিভাষা, যেমন -‘বিভাষা শ্বেঃ’।

Leave a Comment