(টীকা) রাজতরঙ্গিনী-সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস | Rajtarangini-Sanskrit Sahityer Etihas

সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস রাজতরঙ্গিনী (Rajatarangini) সম্পর্কে টীকা কিভাবে লিখতে হবে তা নিম্নে দেওয়া হল।

রাজতরঙ্গিনী (Rajatarangini) টীকা


ভূমিকাঃ-

রাজতরঙ্গিনী বিখ্যাত ঐতিহাসিক কাব্য। এই কাব্যটির রচয়িতা কলহন । এই কাব্যটি কে ইতিহাস বা মহাকাব্য ও বলা হয।


রাজতরঙ্গিনী ঐতিহাসিক কাব্যের কবি পরিচিতিঃ

কাশ্মীর রাজ জয়সিংহের সভাকবি ছিলেন কলহন।1149 খ্রিস্টাব্দে এই গ্রন্থ রচনা করেন তবে কাশ্মীর রাজ শ্রীহর্ষের পৃষ্ঠপোষকতায় কাশ্মীর ইতিহাস রচনায় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন।


রাজতরঙ্গিনীর বিষয়বস্তু

এই রাজতরঙ্গিনী কাব্যের মূল বিষয়বস্তু কাশ্মীরের ইতিহাস বিভিন্ন লোককথা বা শিলালিপি,বিভিন্ন রচনা হতে তথ্য সংগ্রহ করে কাব্যটি রচনা করেন। রাজতরঙ্গিনীতে 4 টি অধ্যায়ে পরবর্তীকালে সংগতি হলেও পূর্বের অংশের ঐতিহাসিক মূল্য অনেকখানি কিছু কিছু অসংগতি থাকলেও তৎকালীন কাশ্মীরের ও জনগণের সামাজিক অবস্থা তুলে ধরেছেন।


রাজতরঙ্গিনী কাব‍্যবৈশিষ্ট‍্য

এই কাব্যটি ইতিহাস হিসাবে যেমন আদরণীয় তেমনি কাব্য রসিকদের কাছে কাব্য হিসাবে আদরণীয। সংক্ষিপ্ত ভাবে রচনা কাব্যের উৎকর্ষতা নষ্ট হয়নি তবে ঐতিহাসিক কাব্য হলেও গ্রন্থটি শান্তরস প্রধান।


উপসংহার

পূর্বে ঐতিহাসিক কাব্যের রচয়িতাগন ছিলেন রাজার আশ্রিত। তারা রাজার জীবনের কীর্তি কাহিনীও বর্ণনা করেছেন।

কিন্তু কলহন ছিলেন একমাত্র ব্যতিক্রম যিনি কাব্যের মাধ্যমে ইতিহাস (রাজতরঙ্গিনী )রচনা করেছিলেন।

সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাসের অন্যান্য টীকা গুলি পড়ুন

Join Our Facebook Page

Leave a Comment