(টীকা) জানকীহরণম্ -সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস

সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস এর জানকীহরণম্ সম্পর্কে টিকা লেখা হল । উচ্চ মাধ্যমিক সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস কুমারদাস রচিত জানকীহরণ মহাকাব্য সম্পর্কে টীকা এই ভাবে লিখতে হবে ।

জানকীহরণম্ (টীকা)

সূচনা:-

 মহাকাব্যকার কুমারদাস রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে জানকীহরন মহাকাব্য রচনা করেন।

রাজশেখর বলেছেন রঘুবংশ বর্তমান থাকলেও জানকীহরণ মতো কাব্য একমাত্র কুমারদাসই রচনা করতে সমর্থ হন।

কবি পরিচিতি:-

কিংবদন্তি অনুসারে কুমারদাস ছিলেন সিংহলের রাজা।

তিনি যেমন বীর যোদ্ধা ছিলেন তেমনি পন্ডিত খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে জানকীহরণ মহাকাব্যটি রচনা করেন।

তার রাজত্বকাল ছিলো 517 থেকে 526 খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

রচনাকাল:- 

সমালোচকগনের মতে, কুমারদাস ষষ্ঠ শতাব্দীতে বর্তমান ছিলেন। ৫১৭ খ্রি: থেকে৫২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেন।

গ্রন্থবিন্যাস:-  

সম্পূর্ণ মহাকাব্যটি পাওয়া যায়নি তবে মূল অংশটিতে 25 টি সর্গ ছিল।

তবে বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে জানা যায় মূল জানকীহরণ- মহাকাব্যে মোট ২৫টি সর্গ ছিল।

কাব‍্যবৈশিষ্ট‍্যঃ-

এই কাব্যে প্রকৃতির বর্ণনা ও চরিত্র চিত্রণে চমৎকারিত্ব দেখা যায়।

এছাড়া অলংকারে মাধুর্য ব্যাকরণের দীপ্তি চিত্র কাব্যের সৃষ্টি প্রভৃতি এই কাব্যে দেখা যায।

জানকীহরণ কাব্যের বিষয়বস্তু:-

জানকী শব্দের অর্থ সীতা সুতরাং রামায়ণের বর্ণিত সীতা হরণ এই কাব্যের মূল বিষয় এছাড়া সম্পূর্ণ রামায়ণ নিজস্বতায় তুলে ধরেছেন এই কাব্যে। সীতাবিরহে রামচন্দ্রের হৃদয়ের ব্যকুলতাও এই কাব্যে সুন্দরভাবে বর্ণিত হয়েছে।

উপসংহার:-

জানকীহরণ কাব্যটির পাঠক চিত্তকে আকৃষ্ট করলেও কৃত্তিমতা দোষে দুষ্ট এমনকি পাঠকদের কাছে এই কাব্য সহজলভ্য নয়। তা বলে কুমারদাস কবিকীর্তি কোনো ভাবে অস্বীকার করা যায় না।

সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাসের অন্যান্য টীকা গুলি পড়ুন

Join Our Facebook Page

 

Leave a Comment