গঙ্গাস্তোত্রম্ হতে ছোট প্রশ্ন ও উত্তর-দ্বাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত

দ্বাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত (Higher Secondary Sanskrit) গঙ্গাস্তোত্রম্  পদ্যাংশ ( Higher Secondary Sanskrit Ganga Stotram) এর ছোট প্রশ্ন ও উত্তর  গুলি দেওয়া হল।

গঙ্গাস্তোত্রম্ হতে ছোট প্রশ্ন ও উত্তর

১) শ্রী গঙ্গাস্তোত্রম কাব্যে কবি শংকরাচার্য গঙ্গাকে গঙ্গা না বলে গঙ্গে বলেছেন কেন?


উঃ- কবি শংকরাচার্য দেবী গঙ্গাকে সমর্থন করে গঙ্গে বলেছেন।
গঙ্গা লতা শব্দের মতো। লতা শব্দের সম্বোধনে একবচনের রূপ লতে তাই এখানে গঙ্গে।


২) সুরেশ্বরি শব্দের অর্থ কি?গঙ্গাকে সুরেশ্বরী বলা হয় কেন?


উঃ- সুরানাং ঈশ্বরি= সুরেশ্বরি।(ষষ্ঠী তৎপুরুষ)। শব্দটির অর্থ হল দেবগনের ঈশ্বরী। গঙ্গা থেকে নির্গত হয়ে ব্রহ্মার কমণ্ডলু ও মহাদেবের মস্তকে অবস্থিত তাই গঙ্গাকে সুরেশ্বরী বলা হয়।


৩) ভগবতি শব্দটির ব‍্যুৎপত্তিগত অর্থ কী?

উঃ- ভগ+মতুপ্= ভগবান।
ভগবান+ঙীপ্= ভগবতী।
সম্বোধনে একবচনে ভগবতি।


৪) মৌলি শব্দের অর্থ কি?


উঃ- মৌলি শব্দের অর্থ হলো মস্তক।


৫) মম মতিরাস্তাং তব পদকমলে- এখানে মম এবং তব পদের দ্বারা কাদের বোঝানো হয়েছে?


উঃ- আলোচ‍্য অংশে মম পদের দ্বারা কবি শংকরাচার্য এবং তব পদের দ্বারা দেবী গঙ্গাকে বোঝানো হয়েছে।


৬) মতি শব্দের অর্থ কি? এখানে কোন মতির কথা বলা হয়েছে?


উঃ- মতি শব্দের অর্থ হলো ভক্তি বা প্রণাম।এখানে কবির সুমতির কথা বলা হয়েছে।


৭) গঙ্গাকে ভাগিরতি বলা হয় কেন?

উঃ- রাজা ভগিরথ গঙ্গাকে মর্তে এনেছিলেন বলে গঙ্গার আরেক নাম ভগিরথ।( সগর রাজার বংশধর ভগীরথ)।


৮) নিগম শব্দের অর্থ কী?


উঃ- নিগম শব্দের অর্থ হল- বেদশাস্ত্র।


৯) পাহি শব্দের অর্থ কি?


উঃ- পাহি শব্দের অর্থ হল- রক্ষা কর।

১০) কবি শঙ্করাচার্য নিজেকে অজ্ঞান বলেছেন কেন?


উঃ- অদৈত‍্য বেদান্তের প্রধান প্রতিষ্ঠাতা কবি শংকরাচার্য নিজেকে অজ্ঞান বলেছেন কারণ গঙ্গার বিশাল মহিমা সম্বন্ধে তিনি কিছুই জানেনা।


১১) গঙ্গার উৎপত্তি কোথা থেকে?


উঃ- শ্রী হরির চরণ পদ্ম।

১২) গঙ্গার শুভ্রতার সঙ্গে তুলনীয় বস্তুগুলি কি কি?

উঃ- গঙ্গাল শুভ্রতার সঙ্গে তুলনীয় বস্তুগুলি হল হিমবিধমুক্তা অর্থাৎ বরফ, চন্দ্র ও মুক্তা।

১৩) কুরুকৃপয়া -এখানে কোন কৃপার কথা বলা হয়েছে?


উঃ- আলোচ্য অংশে কবি শংকরাচার্য দেবীর নিকট প্রার্থনা করেছেন। তাকে যেন কৃপা করে সংসার রূপ সমুদ্র পার করান।


১৪) ভবসাগর শব্দের অর্থ কি?

উঃ- ভবসাগর শব্দের অর্থ হল- সংসাররূপ পার।


১৫) জলমমলম্- শব্দের অর্থ কী?

উঃ- অমলম্ শব্দের অর্থ হল নির্মল বা পবিত্র।


১৬) গঙ্গার জল পান করলে কী ফল পাওয়া যায়?


উঃ- কবি শংকরাচার্য বলেছেন যে ব্যক্তি গঙ্গার জল পান করে সে শ্রেষ্ঠ স্থান লাভ করেন।

১৭) গঙ্গাকে ভক্তি করলে কী ফল পাওয়া যায়?


উঃ- গঙ্গাকে ভক্তি করলে যমরাজও সেই ব্যক্তিকে স্পর্শ করতে পারে না।

১৮) গঙ্গাকে প্রণাম করলে কি ফল পাওয়া যায়?


উঃ- কবি বলেছেন গঙ্গাকে প্রণাম করলে মানুষ কখনও শোকে পতিত হয় না।

১৯) গঙ্গার জলে স্নান করলে কি ফল পাওয়া যায়?


উঃ- কবি শঙ্করাচার্য বলেছেন- গঙ্গার স্রোতে স্নান করলে পুনর্জন্ম নিবারণ হয়। অর্থাৎ তাকে আর মাতৃগর্ভে জন্মগ্রহণ করতে হয় না।

২০) গঙ্গার তীরে বাস করলে কি ফল পাওয়া যায়?


উঃ- কবি শংকরাচার্য বলেছেন গঙ্গার তীরে বাস করলে স্বর্গ সুখ লাভ করা যায়।


২১) খন্ডিত গিরিবর- এখানে গিরিবর শব্দের অর্থ কি?

উঃ- হিমালয়।


২২) ভীষ্ম জননী হে মুনিবর কন্যা- এখানে জননী এবং কন‍্যা শব্দের দ্বারা কাদের বোঝানো হয়েছে?


উঃ- আলোচ‍্য অংশে ভীষ্ম জননী অর্থাৎ দেবী গঙ্গা কে বোঝানো হয়েছে। এবং মুনিবর কন্যে অর্থাৎ মুনিশ্রেষ্ঠ জহ্নুর কন্যা জাহ্নবি বা গঙ্গাকে বোঝানো হয়েছে।


২৩) গঙ্গার নাম জাহ্নবি কেন?


উঃ-গঙ্গা মুনি শ্রেষ্ঠ জহ্নুর কন‍্যা বলে গঙ্গার নাম জাহ্নবী।


২৪) শ্রীগঙ্গাস্তোত্রম্ পাঠ‍্য থেকে গঙ্গার দুটি নাম ও দুটি বিশেষণ লেখ।


উঃ- শ্রীগঙ্গাস্তোত্রম্ পাঠ‍্য থেকে গঙ্গার অন্য দুটি নাম হল ভাগীরথী এবং জাহ্নবি। এবং গঙ্গার দুটি বিশেষণ হলো সুরেশ্বরী ও ত্রিভুবন তারিণী।

২৫) কল্পলতা কি? পৃথিবীর কল্পলতা কে?


উঃ- কল্পলতা হল- কল্পবৃক্ষ। এই বৃক্ষের নিকট সমস্ত মনস্কামনা পূর্ণ হয়। পৃথিবীর কল্পলতা হলেন দেবী গঙ্গা।

২৬) পারাবার শব্দটির অর্থ কি?


উঃ- পারাবার শব্দটির অর্থ হল সমুদ্র।

২৭) অপাঙ্গ শব্দের অর্থ কি?


উঃ- অপাঙ্গ শব্দের অর্থ হল চোখের প্রান্তভাগ।

২৮) গঙ্গার চরণ কিসের দ্বারা রঞ্জিত?


উঃ- দেবী গঙ্গা ইন্দ্রের মুকুটমণি দ্বারা রঞ্জিত।


২৯) করুণাপাঙ্গে এবং তরলাপাঙ্গে পদদুটির অর্থ কি? এদের কর্তা কে?

উঃ- করুণাপাঙ্গে শব্দটির অর্থ হলো কৃপাদৃষ্টি। তরলাপাঙ্গে শব্দটির অর্থ হল- চঞ্চলদৃষ্টি। এর কর্তা হল স্বর্গীয় যুবতীগন।


৩০) দেবী গঙ্গা জীবের কোন কোন বস্তু হরণ করেন?

উঃ- দেবী গঙ্গা জীবের রোগ,শোক,তাপ, পাপ, কুমতি দূর করে।


৩১) কুমতি কলাপম- এখানে কলাপম শব্দের অর্থ কী?


উঃ-সমগ্র।

৩২) ত্বমসি গতির্মম খলু সংসারে- এখানে ত্বম্ ও মম পদের দ্বারা কাদের বোঝানো হয়েছে? অসি শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা কর।


উঃ- আলোচ্য অংশে তম পদের দ্বারা দেবী গঙ্গা এবং মম পদের দ্বারা কবি নিজেকে বুঝিয়েছেন।
অসি শব্দের অর্থ হল- হওয়া। দেবী গঙ্গা এই জগত সংসারে জীবের একমাত্র মুক্তির কারণ।

৩৩) বৈকুন্ঠ‍ শব্দের অর্থ কি? বৈকুণ্ঠ কার নিবাস স্থল?


উঃ- বৈকুণ্ঠ শব্দের অর্থ হল স্বর্গ। বৈকুন্ঠে শ্রী বিষ্ণুর নিবাস স্থল।


৩৪) নরকনিবারণী কে? তাঁকে ঐরূপ বলার কারণ কি?


উঃ- দেবী গঙ্গা হলেন নরকনিবারিনী। দেবী গঙ্গা নরক থেকে পাপীদের উদ্ধার করেন। তাই তিনি নরকনিবারণী।


৩৫) শ্রীগঙ্গাস্তোত্রম পাঠ‍্য থেকে একজন দেবতা, মুনি, রাজা ও মানবের নাম লেখ।


উঃ- শ্রীগঙ্গাস্তোত্রম্ পাঠ্য থেকে একজন দেবতা মহাদেব, একজন মুনী জহ্নুমুনি, একজন রাজা ভগিরথ এবং একজন মানব কবি শংকরাচার্য।


৩৬) মহিমা শব্দটি কোন লিঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে?


উঃ- পুংলিঙ্গ।

Leave a Comment