বাসন্তিকস্বপ্নম্: কনকলেখার চরিত্র

বাসন্তিকস্বপ্নম্ নাট্যাংশ অবলম্বনে কনকলেখার চরিত্র বর্ণনা করো।

বাসন্তিকস্বপ্নম্ নাট্যাংশ অবলম্বনে কনকলেখার চরিত্র বর্ণনা করো

পণ্ডিত শ্রীকৃষ্ণমাচার্য বিরচিত বাসস্তিকস্বপ্নম্ নাটক হতে নির্বাচিত অংশে কনকলেখার চরিত্র পাই। নিম্নে কনকলেখার চরিত্রের চারিত্রিক বৈশিষ্ট গুলি তুলে ধরা হল –

কনকলেখার চরিত্রের চারিত্রিক বৈশিষ্ট

বাসস্তিস্বপ্নম্ নাটকে রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথন করার সময় যে চারিত্রিক বৈশিষ্টগুলি ফুটে উঠেছে তা নিম্নরূপ –

প্রকৃত প্রেমিক

পাঠ্যাংশে আমরা প্রথমত, রাজা ইন্দ্রবর্মার প্রেমিকা বা বাগ্দত্তা হলেন কনকলেখা। প্রেমিক হৃদয়ের আবেগ সেই সঙ্গে উৎকণ্ঠিত । সেইসময় কনকলেখার চরিত্রের চারিত্রিক বৈশিষ্ট প্রকৃত প্রেমিকা হিসেবে ।

সংযত গুণ

রাজার হৃদয়ের উত্কণ্ঠার সঙ্গে কনকলেখার চিত্ত উদ্বেল । তিনি আসলে যুবতি রমণী। ফলে, তাঁর মনেও অস্থিরতা থাকা স্বাভাবিক। এতে কনকলেখার চরিত্রের সংযত গুণটি প্রকাশিত হয়েছে।

আনন্দ প্রিয়

রাজা ইন্দ্রবর্মা বিবাহের অনুষ্ঠানকে আনন্দ মুখরিত করে তুলতে চাইছেন । কনকলেখা রাজাকে বাধা দেননি। এ থেকে তিনি যে আনন্দ প্রিয় ছিলেন, তা বলা যায় ।

রাজকর্তব্যের জ্ঞান

রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কৌমুদীর কথোপকথন করছেন তখন সংগীতশালায় অতিথিরা অপেক্ষা করছেন । সেই সময়ের দিকে লক্ষ রেখেছেন কনকলেখা এবং তা রাজাকে মানে করিয়ে দিয়েছেন। এতে কনকলেখার চরিত্রের রাজকর্তব্যের জ্ঞান চারিত্রিক বৈশিষ্ট প্রকাশ পেয়েছে ।

উপসংহার

অতএব কনকলেখার মধ্যে এক আদর্শ প্রেমিকার গুণ কী হওয়া উচিত তা সমাজে শিক্ষণীয়।

বাসন্তিকস্বপ্নম্ নাট্যাংশ হতে প্রশ্ন উত্তর গুলি

Leave a Comment