বাসস্তিস্বপ্নম্: রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথন

বাসস্তিস্বপ্নম্ অবলম্বনে রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথন সংক্ষেপে আলোচনা করো।

বাসস্তিস্বপ্নম্ অবলম্বনে রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথন সংক্ষেপে আলোচনা করো।

ভূমিকা :- দাক্ষিণাত্যের সংস্কৃত পণ্ডিত আর কৃষ্ণমাচার্য “এ মিডসামার নাইটস ড্রিম” এর ভাবানুবাদ নাটক বাসস্তিস্বপ্নম্ এর পাঠ্যাংশে প্রথমে রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথন পাই। আরেকবার শেষে সামান্য রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথন দেখতে পাই ।

রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথন

প্রথমেই দেখি রাজা ইন্দ্রবর্মার সঙ্গে কনকলেখার আর চারদিন পরে বিবাহ সম্পন্ন হবে। তাঁরা দুজনে এ বিষয়ে কথাবার্তা বলছেন।

  • রাজা ইন্দ্রবর্মার আর ধৈর্য ধরে না। তিনি মদনাক্রান্ত হয়ে খুব দুঃখিত। রাজার মনে চন্দ্র প্রভাব বিস্তার করছে, তিনি নির্দয়ের মতো । কারণ তার মতে মাঝখানের এই চারদিন যেন অতি ধীরে বিদায় নিচ্ছে। চাঁদ যেহেতু ক্ষীয়মাণ সে তাড়াতাড়ি ক্ষয় পাচ্ছে না ।
  • রাজা এও বলেন বিবাহকে উদ্দেশ্য করে সেও খুব উৎসুক। তিনি এই চারটি দিন কীভাবে কাটাবেন ভেবে পাচ্ছেন না। কারণ তাঁর কাছে একদণ্ড কাল যেন এক যুগ বলে মনে হচ্ছে।
  • তখন কনকলেখা রাজাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলছেন যে, চারটি দিন প্রায় চারটি রাত্রি হয়ে ক্ষণকালের মধ্যে দেখতে দেখতে শীঘ্রই কেটে যাবে। যে রাত্রিতে দুজনের পরিণয় মহোৎসব হবে তা শীঘ্র এসে যাবে। অতএব তাঁর কষ্ট পাওয়ার প্রয়োজন নেই।
  • বাসস্তিস্বপ্নম্ এর পাঠ্যাংশের শেষে রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথন দেখতে পাওয়া যায় । রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কৌমুদীর কথোপকথন -এর সময় নেপথ্যে মৃদঙ্গ ধ্বনি শোনা গেলে কনকলেখা রাজাকে মানে করিয়ে দেন যে তাদের সঙ্গীতশালার অভ্যন্তরে যেতে হবে ।

উপসংহার :

এইভাবে রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথন -এর মাধ্যমে নাট্যকার বসন্ত প্রকৃতির প্রভাব সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন ।

বাসন্তিকস্বপ্নম্ নাট্যাংশ হতে প্রশ্ন উত্তর

Leave a Comment