ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা গল্পটির সারসংক্ষেপ

উচ্চ মাধ্যমিক একাদশ শ্রেণীর পাঠ্যাংশ ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা গল্পটির সারসংক্ষেপ নিম্নে বর্ণিত হল ।

ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা গল্পটির সারসংক্ষেপ লেখ

ভূমিকা

পন্ডিত বিষ্ণু শর্মা রচিত গল্পগ্রন্থ পঞ্চতন্ত্রের তৃতীয় তন্ত্র কাকোলূকীয়ম্ এর অষ্টম সংখ্যক কাহিনী হলো ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা

ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা গল্পের চরিত্র

এই গল্পের চরিত্র হলো তিনজন –

  • 1 দ্রোণ নামে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ।
  • 2 ক্রূরকর্মা নামক এক চোর ।
  • 3 সত্যবচন নামে এক ব্রহ্মরাক্ষস ।

.ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা গল্পের সারসংক্ষেপ

কোন এক গ্রামে দরিদ্র এক ব্রাহ্মণ বাস করত।তার নাম ছিল দ্রোণ । এই ব্রাহ্মণ কোন কারণে অন্যের দানের দ্বারা জীবন অতিবাহিত করছিল এছাড়া সে সমস্ত রকম ভোগ্য দ্রব্য হতে বর্জিত ছিল। কোন একজন মহান তাকে দয়া বসত ও দুটি গোবৎস দান করেছিল। এই গোবৎস গুলিকে বহুকষ্টে হৃষ্টপুষ্ট করে বড় করে তুলেছিল।
হঠাৎ একটি চোর গরু দুটিকে চুরি করার জন্য বাঁধার দড়ি নিয়ে ব্রাহ্মণের বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করল। অর্ধেক পথ গেলে এক বিশাল আকৃতির পিশাচের সাথে সাক্ষাৎ হলো। এরপর একে অপরের সাথে পরিচয় হওয়ার যেহেতু দুজনের উদ্দেশ্য প্রায় এক ফলে তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে উঠলো।
ব্রাহ্মণের বাড়ির কাছে গিয়ে তারা দু’জনে অপেক্ষা করতে লাগলো। ব্রাহ্মণ ঘুমিয়ে পড়লে ব্রহ্মরাক্ষস প্রথমে ব্রাহ্মণ কে খেতে চাইলে চোর বাধা দিয়ে বলে সে আগে চুরি করতে চায় কারণ ব্রাহ্মণ কেক খেতে গিয়ে যদি কোনো বিপত্তি হয় তাহলে তারার গরু দুটি চুরি করা হবে না।অপরদিকে ব্রহ্মরাক্ষস এর যুক্তি চুরির সময় গরুর শব্দে যদি ঘুম ভেঙ্গে যায় তাহলে তাকে না খেয়ে থাকতে হবে।
এভাবে বিবাদের ফলে ব্রাহ্মণের ঘুম ভেঙ্গে যায়।তখন ব্রাহ্মণ মন্ত্র শক্তি দ্বারা রাক্ষসকে দাঁড়ালো এবং উত্তোলিত লাঠির দ্বারা চোরের হাত থেকে গরু দুটিকে রক্ষা করল।

ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা এই গল্পের মূল শিক্ষা

শত্রুরা পরস্পরের মধ্যে বিবাদ করলে সাধারণ মানুষের এই উপকার হয়।

ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা পাঠ্যাংশ- একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত

উচ্চ মাধ্যমিক একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত হতে ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা পাঠ্যাংশ টির সংস্কৃত অংশ দেওয়া হল।

Leave a Comment