ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা- গল্প অবলম্বনে ব্রহ্মরাক্ষস ও চোরের কথোপকথন

একাদশ শ্রেণীর পাঠ্যাংশ অনুসারে ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা- গল্প অবলম্বনে  ব্রহ্মরাক্ষস ও চোরের কথোপকথনের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।

ব্রহ্মরাক্ষস ও চোরের কথোপকথন এর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা


ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা পরিচয়

ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা গল্পটি পণ্ডিত বিষ্ণুশর্মা রচিত গল্পগ্রন্থ পঞ্চতন্ত্র -এর তৃতীয় তন্ত্র কাকোলূকীয়ম্ এর অন্তর্গত। এখানে ব্রহ্মরাক্ষস ও চোরের কথোপকথন বর্ণিত হয়েছে।

কথোপকথনের পূর্বপ্রসঙ্গ

দ্রোণ নামে এক দরিদ্র ব্রাহ্মনকে কোন এক যজমান দুটি গোবৎস দান করেছিলেন। সেই গোবৎস দুটিকে ব্রাহ্মণ সযত্নে হৃষ্টপুষ্ট করে বাড়িয়ে তুলেছিল।

সাক্ষাৎকার বর্ণনা

কোন একজন চোর ব্রাহ্মণের গরু দুটিকে চুরি করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলে অর্ধপথে ব্রহ্মরাক্ষস এর সাথে সাক্ষাৎ হয়।

কথোপকথন বর্ণনা

ব্রহ্মরাক্ষসের ভয়ঙ্কর চেহারা দেখে চোর তার পরিচয় জানতে চেয়েছিল। এর উত্তরে ব্রহ্মরাক্ষস বলল-” সত্যবচনঃ অহং ব্রহ্মরাক্ষস ‘-

এরপরে রাক্ষস চোরের পরিচয় জানতে চাইলে চোর বলে-” অহং ক্রুরুকর্মা চৌরঃ’


এর সাথে চোর আরো জানায় ব্রাহ্মণের গরুটিকে চুরি করতে চায়।তখন চোরের কথায় আশ্বস্ত হয়ে ব্রহ্মরাক্ষসটিও জানায় সে ব্রাহ্মণকে ভক্ষণ করতে উপস্থিত হয়েছে। এরপর তারা ব্রাহ্মণের বাড়ির নিকটে একান্তে অপেক্ষা করতে লাগল।

ব্রাহ্মণ ঘুমিয়ে পড়লে ব্রহ্মরাক্ষস তাকে ভক্ষণ করতে উদ্যত হলে তখন চার বলে উঠল- “ভদ্র নৈষ‍্য ন‍্যায়‘। অর্থাৎ এটা অনুচিত। সে পূর্বে দুটি গরু অপহরণ করবে। তারপর রাক্ষস ব্রাহ্মণকে ভক্ষণ করবে।

তখন ব্রহ্মরাক্ষস বলল গরুর শব্দে ব্রাহ্মণের ঘুম ভেঙে গেলে তার আর খাওয়া হবে না। তখন চোর বলল ব্রাহ্মণকে ভক্ষণ করার সময় যদি কোনো বিঘ্ন হয় তবে তার চুরি করা হবে না।


উপসংহার

এইভাবে আমি আগে আমি আগে বলে তুমুল ঝগড়া শুরু করলে, তা শুনে ব্রাহ্মণের ঘুম ভেঙে যায় এবং উপস্থিত বুদ্ধির দ্বারা নিজেকে এবং গরুদুটিকে রক্ষা করে।

আরো পড়ুন 

একাদশ শ্রেণীর পাঠ্যাংশ ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা হতে Post গুলি

Leave a Comment