বনগতা গুহা : অলিপর্বার সংক্ষিপ্ত সংগ্রামী জীবনের পরিচয়

বনগতা গুহা অবলম্বনে সৎ পরিশ্রমী অলিপর্বার সংক্ষিপ্ত সংগ্রামী জীবনের পরিচয় দাও।

বনগতা গুহা অবলম্বনে সৎ পরিশ্রমী অলিপর্বার সংক্ষিপ্ত সংগ্রামী জীবনের পরিচয় দাও

উত্তর : বিংশ শতকের সংস্কৃত প্রেমী পণ্ডিত শ্রীগোবিন্দকৃয় মোদক বিরচিত ‘চোরচত্বারিংশী কথা’ গ্রন্থের “বনগতা গুহা” পাঠ্যাংশে এক সৎ পরিশ্রমী অলিপর্বার সংক্ষিপ্ত সংগ্রামী জীবনের পরিচয় পাই। অলিপর্বার সংক্ষিপ্ত সংগ্রামী জীবনের পরিচয় নিম্নে বর্ণিত হল ।

অলিপর্বার পারিবারিক জীবনের পরিচয়

পুরাকালে পারস্য দেশের এক নগরে কশ্যপ ও অলিপর্বা নামে দুই সহোদর ভাই বাস করত। তাদের পিতার ধনসম্পদ বেশি ছিল না। হত দরিদ্র পিতা দুই সন্তানকে মৃত্যুর আগে নিজের সম্পত্তি তাদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেন, যাতে সন্তানেরা ধনসম্পদ উপার্জনের বিষয়ে সমানভাবে সচেষ্ট হয়। কশ্যপ এক ধনীর কন্যাকে বিবাহ করে। এর ফলে সে তখনই (হঠাৎ) নগরশ্রেষ্ঠ বণিকদের সমান হয়ে ওঠে। সেই থেকে সে নানা বিলাসব্যসনে কাল কাটাতে শুরু করে । প্রভূত ধনসম্পত্তির কারণে , সে যেটা চাইত কোনোটাই তার হাতের বাইরে ছিল না অর্থাৎ যেটা সে চাইত সেটাই সে পেয়ে যেত।

অলিপর্বার সংগ্রামী জীবনের পরিচয়

এদিকে অলিপর্বার আর্থিক অবস্থা যেমন, তেমন-ই তার শ্বশুরের । অল্পমাত্র ধনসম্পত্তি ছিল। যার ফলে সে সৌন্দর্যহীন পর্ণকুটিরে বাস করত। অতি কষ্টে সে স্ত্রী-পুত্রদের নিয়ে সংসার চালাত। সে প্রত্যহ সকালে উঠে জ্বালানির কাঠ কাটার জন্য জঙ্গলে যেত। জ্বালানি কাঠ তিনটি গাধার পিঠে চাপিয়ে দিত এবং শহরে নিয়ে আসত। সেখানে সে তা বিক্রি করে তা থেকে প্রাপ্ত অর্থের সাহায্যে জীবিকা নির্বাহ করত।

অলিপর্বার সংক্ষিপ্ত সংগ্রামী জীবনের মূল্যায়ন

সৎপথে বাঁচতে গেলে অনেক ক্ষতি স্বীকার করতে হয়। তবুও দেখা যায় যে, এই পৃথিবীতে অজস্র ক্ষতি স্বীকার করেও বহুলোক সভাবে জীবনযাপন করে। এই কথাটির বড়ো প্রমাণ পাওয়া যায় পারস্যের এক নগরবাসী অলিপর্বার জীবনে।

সারসংক্ষেপ বনগতা গুহা গদ্যাংশ দেখতে নিচে ক্লিক করুন

MCQ TEST বনগতা গুহা গদ্যাংশ

বনগতা গুহা গদ্যাংশ হতে ছোট প্রশ্ন ও উত্তর

বনগতা গুহা পাঠ্যাংশ হতে বিভিন্ন বড় প্রশ্ন উত্তর

Leave a Comment