শ্রী শ্রী চণ্ডী মহাসরস্বতীর ধ্যান; নারায়ণীস্তুতি; অর্গলা-স্তোত্র; মহিষাসুরবধ (অনুবাদ)

শ্রী শ্রী চণ্ডী মহাসরস্বতীর ধ্যান, শ্লোক – ২, একাদশ অধ্যায় নারায়ণীস্তুতি, শ্লোক – ৫৪-৫৫ অর্গলা-স্তোত্র, শ্লোক – ২ তৃতীয় অধ্যায়— মহিষাসুরবধ, শ্লোক ৩৮ অনুবাদ

শ্রীশ্রীচণ্ডী মহাসরস্বতীর ধ্যানমহাসরস্বতীর ধ্যান, শ্লোক – ২
শ্রীশ্রী চণ্ডী একাদশ অধ্যায় নারায়ণীস্তুতি, শ্লোক – ৫৪-৫৫
শ্রীশ্রী চণ্ডী অর্গলা স্তোত্রম্ অর্গলা স্তোত্রম্ , শ্লোক – ২
শ্রীশ্রী চণ্ডী তৃতীয় অধ্যায়মহিষাসুরবধ, শ্লোক ৩৮

শ্রী শ্রী চণ্ডী: মহাসরস্বতীর ধ্যান / নারায়ণীস্তুতি / অর্গলা-স্তোত্র / মহিষাসুরবধ অনুবাদ

শ্রীশ্রী চণ্ডী: মহাসরস্বতীর ধ্যান (শ্লোক – ২)- অনুবাদ

সিংহস্থা শশিশেখরা মরকতপ্রখ্যা চতুর্ভির্ভুজৈঃ
শঙ্খং চক্রধনুঃশরাংশ্চ দধতী নেত্রৈস্ত্রিভিঃ শোভিতা ।
আমুক্তাঙ্গদ-হার-কঙ্কণ-রণৎ-কাঞ্চীক্বণন্নূপুরা
দুর্গা দুর্গতিহারিণী ভবতু নো রত্নোল্লসৎকুণ্ডলা ।।

শ্রীশ্রীচণ্ডী, মহাসরস্বতীর ধ্যান, শ্লোক – ২

অনুবাদ:-সিংহারূঢ়া শশিশেখরা, মরকতমণির তুল্য প্রভাময়ী, চারিহস্তে শঙ্খ, চক্র ও ধনুর্বাণ ধারিণী, ত্রিনয়ন দ্বারা শোভিতা, কেয়ূর, হার ও বলয় এবং মৃদু-মধুর ধ্বনিযুক্তা চন্দ্রহার ও নূপুর পরিহিতা এবং রত্নে উজ্জ্বল কুণ্ডল ভূষিতা দুর্গা আমাদের দুর্গতি নাশ করুন।

শ্রীশ্রী চণ্ডী, একাদশ অধ্যায় নারায়ণীস্তুতি, শ্লোক – ৫৪-৫৫ অনুবাদ

“ইত্থং যদা যদা বাধা দানবোত্থা ভবিষ্যতি ।।
তদা তদাবতীর্যাহং করিষ্যাম্যরিসংক্ষয়ম্‌ ।।”

শ্রীশ্রীচণ্ডী, একাদশ অধ্যায় নারায়ণীস্তুতি, শ্লোক – ৫৪-৫৫


অনুবাদ:- এই প্রকারে যখনই দানবগণের প্রাদুর্ভাববশতঃ বিঘ্ন উপস্থিত হইবে তখনই আমি আবির্ভূতা হইয়া দেব-শত্রু অসুরগণকে বিনাশ করিব।]

অর্গলা স্তোত্র, শ্লোক – ২ অনুবাদ

জয়ন্তী মঙ্গলা কালী ভদ্রকালী কপালিনী ।
দুর্গা শিবা ক্ষমা ধাত্রী স্বাহা স্বধা নমোঽস্তু তে ।।

অর্গলা স্তোত্র, শ্লোক – ২

[হে দেবী, তুমি জয়ন্তী (জয়যুক্তা বা সর্বোৎকৃষ্টা), মঙ্গলা (জন্মাদিনাশিনী); কালী (সর্বসংহারিণী), ভদ্রকালী (মঙ্গল-দায়িনী), কপালিনী (প্রলয়কালে ব্রহ্মাদির কপাল হস্তে বিচরণকারিণী), দুর্গা (দুঃখপ্রাপ্যা), শিবা (চিৎস্বরূপা), ক্ষমা (করুণাময়ী), ধাত্রী (বিশ্বধারিণী), স্বাহা (দেবপোষিণী) এবং স্বধা (পিতৃতোষিণী)-রূপা, তোমাকে নমস্কার।]

শ্রী শ্রী চণ্ডী, তৃতীয় অধ্যায় মহিষাসুরবধ, শ্লোক ৩৮ অনুবাদ

“গর্জ গর্জ ক্ষণং মূঢ় মধু যাবৎ পিবাম্যহম্‌ ।
ময়া ত্বয়ি হতেঽত্রৈব গর্জিষ্যন্ত্যাশু দেবতাঃ ।। “

শ্রীশ্রীচণ্ডী, তৃতীয় অধ্যায়— মহিষাসুরবধ, শ্লোক ৩৮

[“রে মূঢ়, যতক্ষণ আমি মধু পান করি ততক্ষণ তুই গর্জন কর। আমি তকে বধ করিলে ইন্দ্রাদি দেবগণ এইস্থানে শীঘ্রই আনন্দধ্বনি করিবেন।”]

Leave a Comment