একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত সাজেসন-বৈদিক সাহিত্যের ইতিহাস হতে বেদ ছোট প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হল। বেদাঙ্গের সংখ্যা কয়টি
একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত সাজেসন-বৈদিক সাহিত্যের ইতিহাস
বেদ-ছোট প্রশ্ন ও উত্তর
বেদ শব্দটির বুৎপত্তিগত কি ? বা বেদ শব্দের উৎপত্তি লিখ ?
উঃ- বিদ্ + ঘঙ্।
২) বেদের অপর নাম কি?
উঃ- শ্রুতি।
ব্রাহ্মণের পরের অংশের নাম কি?
উঃ- আরণ্যক।
ঋকবেদের আরণ্যক-এর সংখ্যা কটি?
উঃ- দুটি।যথা- ঐতরেয়, সংখ্যায়ন।
কেনোপনিষদ কোন বেদের অন্তর্গত?
উঃ- সামবেদ।
বৈদিক ছন্দশাস্ত্রের রচয়িতা কে?
উঃ-পিঙ্গল।
সামবেদের ব্রাহ্মণের সংখ্যা কত?
উঃ- ৮ টি।
গোপথ ব্রাহ্মণ কোন বেদের সঙ্গে যুক্ত?
উঃ-অথর্ববেদ।
শতপথ ব্রাহ্মণের অধ্যায়ের সংখ্যা কত?
উঃ- ১০০।
বৃহদারনণ্যক কোন বেদের অন্তর্গত?
উঃ- শুক্লযজুর্বেদের অন্তর্গত।
অথর্ববেদের আরণ্যক এর নাম কি?
উঃ- কোনো আরণ্যক নেই।
মান্ডূক্য উপনিষদ কোন বেদের সঙ্গে যুক্ত?
উঃ- অথর্ববেদ।
ঋগ্বেদের মন্ডল সংখ্যা কত?
উঃ-১০টি।
ঋকবেদের দ্বিতীয় থেকে সপ্তম মন্ডলকে কি বলা হয়?
উঃ- আর্ষ মন্ডল।
অষ্টম মন্ডলকে কি বলা হয়?
উঃ- প্রগাথ মন্ডল।
ঋকবেদের নবম বেদের নাম কি?
উঃ- সমমন্ডল।
ঋকবেদের কোন দুটি মন্ডল প্রক্ষিপ্ত বা পরবর্তীকালে সংযোজন বলে মনে হয়?
উঃ- প্রথম ও দশম মন্ডল।
ঋকবেদের প্রধান দেবতার নাম কি?
উঃ- অগ্নি।
১৯) ঋকবেদে কোন দেবতার স্তুতি বেশি দেখা যায়?
উঃ- ইন্দ্র।
কয়েকটি দার্শনিক শক্তির উদাহরণ দাও।
উঃ- পুরুষসূক্ত,হিরণ্যগর্ভসূক্ত,বাক বা দেবীসূক্ত,নাসদীয় সুক্ত।
কয়েকটি সংবাদসূক্তের নাম লেখ?
উঃ-যম-যমী সংবাদ,সরমা-পানি সংবাদ,পুরূরবা-উর্বশী সংবাদ।
সাম শব্দের অর্থ কি?
উঃ- গান।
ঋকবেদের অর্থ কি?
উঃ-শোভন বচন বা সুন্দর বাক্য।
যজুর্বেদ এর কয়টি ভাগ ও কি কি?
উঃ- দুটি। যথা- কৃষ্ণ ও শুক্ল।
ঋগবেদের কয়টি শাখা ও কী কী?
উঃ- দুটি। যথা- সাকল ও বাস্কল।
যজুর্বেদ এর ঋষির নাম কি?
উঃ- যাঞ্জবল্ক।
যজুর্বেদের অপর নাম কী?
উঃ- অধ্বর্যু।
অথর্ববেদের অপর নাম কি? এর শাখা কয়টি?
উঃ- অথর্বাঙ্গিরোবেদ। এর নয়টি শাখা।
অথর্ববেদের প্রধান শাখার নাম কি?
উঃ- শৌনক।
বেদ শব্দটি কোন ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে? এর অর্থ কী?
উঃ- বিদ্। অর্থ হচ্ছে জ্ঞান।
বেদের প্রধান দুটি ভাগ কি কি?
উঃ- মন্ত্র ও ব্রাহ্মণ।
মন্ত্র শব্দের অপর নাম কি?এটি কোন ধাতু থেকে উৎপন্ন?
উঃ- সংহিতা,মন ধাতু।
উপনিষদ শব্দটির প্রত্যয় নির্ণয় কর?
উঃ- উপ-নি+√সদ্+কিপ্।
বেদ শব্দের অর্থ কি?বেদ শব্দটি কোন ধাতু থেকে এসেছে?
উঃ- বেদ শব্দের অর্থ হল- জ্ঞান।বিদ্ ধাতু থেকে বেদ শব্দটি নিষ্পন্ন হয়েছে।বিদ্ + ঘঙ্।
বেদ কয়টি ও কিকি?
উঃ- চারটি। যথা- ঋক,সাম,যজুঃ ও অথর্ব।
পৃথিবীর প্রাচীনতম সাহিত্যটির নাম কি?
উঃ- ঋকবেদ।
বেদ অমীল ধর্ম মুলম্’- কার উক্তি?
উঃ- আচার্য মনু।
কে বেদের বিভাজন করেন?
উঃ- মহর্ষি ব্যাসদেব বেদকে চারভাগে বিভক্ত করেন।
বেদের পরিশিষ্ট কি নামে পরিচিত?
উঃ- বেদের পরিশিষ্ট ব্রাহ্মণ নামে পরিচিত। (শতপথব্রাহ্মণ।)
ব্রাহ্মণের পরিশিষ্ট কি নামে পরিচিত?
উঃ- আরণ্যক(বৃহদারণ্যক)।
আরণ্যকের পরিশিষ্ট কি নামে পরিচিত?
উঃ- উপনিষদ।(ঈশোপনিষদ)।
উপনিষদকে বেদান্ত বলা হয় কেন?
উঃ- উপনিষদ বেদের অন্ত বা শেষ ভাগে অবস্থিত বলে উপনিষদকে বেদান্ত বলা হয়।
উপনিষদ শব্দের অর্থ কী?
উঃ-ব্রহ্মবিদ্যা বা রহস্য জ্ঞান।
ঋকবেদের গঠন বিভাজন কি রূপ?
উঃ- ঋকবেদ মন্ডল-(১০টি),
অনুবাক(৮৫টি),সূক্ত-(১০২৮টি),
ঋক-(১০৫৫২টি )।
ঋক শব্দের অর্থ কী?
উঃ-মন্ত্র।
বেদের অপর নাম শ্রুতি কেন?
উঃ- প্রাচীনকালে গুরু শিষ্য পরম্পরায় বেদ মন্ত্রগুলি শুনে শুনে মনে রাখা হত।তাই বেদের অপর নাম শ্রুতি। বেদের আর এক নাম হল-সংহিতা।
বেদের মন্ত্র ভাগের নাম কী?
উঃ- সংহিতা।
ঋকবেদ কোন দেবতার স্তুতি প্রথম করা হয়েছে?
উঃ- অগ্নিদেবতা।
ঋকবেদের প্রধান দেবতা কজন?
উঃ- ঋকবেদের প্রধান দেবতা তিনজন।
i) অগ্নি (পৃথিবীর স্থানগত দেবতা ),ii)ইন্দ্র (অন্তরিক্ষ স্থানগত দেবতা )iii) সূর্য (স্বর্গস্থানগত দেবতা)।
বেদাঙ্গের সংখ্যা কয়টি?
উঃ- বেদাঙ্গ ছয়টি। যথা- শিক্ষা,কল্প,ব্যাকরন,নিরুক্ত,জ্যোতিষ, ছন্দ।
বৈদিক ছন্দ কয়টি? যেকোনো দুটি ছন্দের নাম লিখ?
উঃ- সাতটি। গায়ত্রি,জগতি।
বৈদিক ছন্দ শাস্ত্রের রচয়িতা কে?
উঃ- মহামুনি পিঙ্গল।
নিরুক্তকার কে?
উঃ- যাস্কাচার্য।
বৈদিক স্বর কয়টি ও কি কি?
উঃ- বৈদিক স্বর তিনটি। উদাত্ত, অনুদাত্ত, স্বরিত।
সূত্র সাহিত্য কি? এর কয়টি বিভাগ?
উঃ- বেদাঙ্গের একটি বিশেষ ভাগ হল- কল্পসূত্র। কল্পগুলি সূত্র আকারে লিপিবদ্ধ রয়েছে,তাই একে সূত্র সাহিত্য বলে। সূত্র সাহিত্যের চারটি বিভাগ।শ্রৌতসূত্র,গৃহ্যসূত্র, শুল্বসূত্র, ধর্মসূত্র।
নারাশংসী বলতে কী বোঝ?
উঃ- রাজস্তুতিমূলক মন্ত্রগুলিকে নারাংশী বলা হয়।
বিনিয়ক কাকে বলে? কয় প্রকার?
উঃ- কর্মের সঙ্গে মন্ত্রের যে যোগ তাকে বিনিয়োগ বলে। বিনিয়োগ দুই প্রকার। যথা সামান্য বিনিয়োগ,বিশেষ বিনিয়োগ।
বেদমন্ত্র দৃষ্ট ঋষিদের কি বলা হয়?
উঃ- সাক্ষাৎ কৃত ধর্মা ঋষি।
ভারতীয় জ্যামিতি বিষয়ক প্রাচীনতম গ্রন্থেরর নাম কি?
উঃ- শুশ্ব সূত্র।
শৌত সূত্রের আলোচ্য বিষয় কী?
উঃ- বৈদিক যজ্ঞ।
গৃহ্য সূত্র-এর বিষয় কী?
উঃ- নিত্যকর্ম,গৃহ নির্মান,কৃষিকর্ম প্রভৃতি।
বেদের প্রধান ভাষ্যকার কে?
উঃ- সায়ণাচার্য।
বেদের পুরোহিতদের নাম?
উঃ- i) ঋকবেদ-হোতা,
ii)সামবেদ-উদগাতা,
iii)যজুর্বেদ-অধ্বর্যু,
iv)অথর্ববেদ-ব্রহ্মা।
ত্রয়ী বলতে কী বোঝ?
উঃ- ঋক সাম যজুঃ- এই তিনটি বেদের মন্ত্র গুলি স্বতন্ত্রভাবে গৃহীত হয়।তাই তিনটি বেদকে ত্রয়ী বলা হয়।
ঋকবেদ-পদ্যে রচিত,
সামবেদ-গানে রচিত,
যজুর্বেদ-গদ্যে রচিত।
বেদকে অপৌরুষেয় বলা হয়েছে কেন?
উঃ- বেদকে অপৌরুষেয় বলা হয় কারন- বেদ কোনো পুরুষ বা মানুষের দ্বারা রচিত হয়নি। মানুষের বাক, বুদ্ধি, ইন্দ্রিয় প্রভৃতি দ্বারা রচিত নয়। কৃতধর্মা ঋষি গন দর্শণ করেছেন।
যজুর্বেদ কয় ভাগে বিভক্ত ও কি কি?
উঃ- যজুর্বেদ দুটি খণ্ডে বিভক্ত। যথা i)শুক্ল যজুর্বেদ(বাজসনেয় সংহিতা),ii) কৃষ্ণ যজুর্বেদ।
অথর্ববেদ এর প্রাচীন নাম কি?
উঃ- অথর্বাঙ্গিরস।
অথর্ববেদের একমাত্র ব্রাহ্মণ গ্রন্থটির নাম কি?
উঃ- গোপথ ব্রাহ্মণ।
বেদ কাকে বলে? কয় প্রকার ও কি কি?
উঃ- জ্ঞানার্থক বিদ ধাতু হতে বেদ শব্দটি নিঃষ্পন্ন বেদ শব্দের মুখ্য অর্থ হল- জ্ঞান অর্থাৎ প্রত্যক্ষ ও অনুমান এর সাহায্যে যে জ্ঞান লাভ করা যায় না, সেই অতীন্দ্রিয় জ্ঞান-যার দ্বারা লাভ করা যায় তার নাম বেদ।সুতরাং বেদ হল সেই শব্দরাশি যার মাধ্যমে পরমব্রহ্ম স্বরূপ উপলব্ধি করা যায়। বেদ চার প্রকার। যথা- ঋকবেদ,সামবেদ, যজুর্বেদ, অথর্ববেদ।
বেদকে ত্রয়ী বলা হয়?
উঃ- বেদ তিনপ্রকার মন্ত্রের সমষ্টি। আচার্য জৈমিনীর মত অনুসারে ছন্দ ও পাদবদ্ধ মন্ত্রগুলি ঋক সাম এবং বাকি মন্ত্রগুলি যজুঃ নামে পরিচিত। অথর্ববেদের মন্ত্রগুলি এই তিন লক্ষ যুক্ত। তাই এই তিন প্রকার মন্ত্রযুক্ত বেদকে ত্রয়ী বলা হয়।
বেদ কয় প্রকার ও কি ক? বেদ কে আর কি নামে অভিহিত করা হয়েছে?
উঃ- মন্ত্রব্রাহ্মণয়োর্বেদনামধেয়ুম- বেদের দুটি ভাগ-i) মন্ত্র,ii)ব্রাহ্মণ।
আবার ব্রাহ্মণ ভাগের শেষে দুটি অংশ হল- আরণ্যক এবং উপনিষদ।
বেদকে ত্রয়ী, শ্রুতি,আগম,ছন্দস প্রভৃতি নামে অভিহিত করা হয়।
বেদের অপর নাম শ্রুতি কেন?
উঃ- প্রাচীনকালের ঋষিরা শিষ্যদেরকে বেদ মন্ত্র দান করতেন উপদেশ এর মাধ্যমে। তাই এই বেদ আচার্য শিষ্য পরম্পরা শোনার মধ্যে রক্ষিত হত বলে বেদের অপর নাম শ্রুতি।
মন্ত্র কাকে বলে?
উঃ- মন্ত্র বলতে চার বেদের সংহিতা অংশকে বোঝায়। মন্ত্র শব্দটি মন্ ধাতু থেকে নিষ্পন্ন। আচার্য্য যাষ্ক বলেছেন মনন্ হয় যে শব্দ রাশি দ্বারা তাকে মন্ত্র বলে। চার প্রকার বেদের মন্ত্রও চারপ্রকার। ঋকবেদের মন্ত্রকে ঋক সংহিতা,সামবেদের মন্ত্রকে সামসংহিতা,যজুর্বেদের মন্ত্রকে যজুর্বেদ সংহিতা এবং অর্থবেদের মন্ত্রকে অথর্ববেদ সংহিতা বলা হয়।
বেদাঙ্গ কাকে বলে?
উঃ- বেদের অঙ্গ বেদাঙ্গ। মানুষের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ দেহ গঠিত, তেমনি বেদের কিছু অঙ্গ আছে যেগুলো দ্বারা সম্পূর্ণ বেদ গঠিত হয়। অর্থাৎ বেদ অধ্যায়নের সাহায্যকারী গ্রন্থগুলিকে বেদাঙ্গ বলা হয়।
শিক্ষা কি?
উঃ-ছয়টি বেদাঙ্গের মধ্যে প্রথম হল শিক্ষা। যে বেদাঙ্গ বেদের জ্ঞান,স্বর, মাত্রা প্রভৃতি মাত্রায় শিক্ষা দেয় তাই শিক্ষা। সুতরাং শিক্ষা হল বেদের ধ্বনিবিজ্ঞান।
উদাহরণঃ- ঋকবেদের পালনীয় শিক্ষা।
কল্প কি?
উঃ- বৈদিক যজ্ঞের আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা ও যোগ্য প্রণালীর সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া হল কল্প। বেদ শাখার মীমাংসা,ব্যাকরণ তত্ত্ব প্রভৃতি বিষয়ে আলোচ্য বিষয় হল কল্পসূত্র।
কল্পসূত্র কয় প্রকার?
উঃ- কল্পসূত্র চার প্রকার।
i)শ্রৌত সূত্র,ii)গৃহ্য সূত্র,iii) ধর্মসূত্র,iv) শুল্গসূত্র।
নিরুক্ত কি?
উঃ- বৈদিক মন্ত্রের বিভিন্ন শব্দের অর্থ হল জ্ঞানের জন্য যে শাস্ত্র অপরিহার্য তার নাম নিরুক্ত।একে বৈদিক শব্দ অভিধান বলে। আচার্য যাষ্ক নিরুক্তের রচয়িতা। কিন্তু বর্তমানে গ্রন্থটি লুপ্ত।
ব্যাকরণ কি?
উঃ- বেদ জানার জন্য ব্যাকরন অপরিহার্য।ব্যাকরণ শব্দগঠন ও ভাষা নিয়ন্ত্রণের শাস্ত্র। প্রাচীনকালে প্রতিশাখ্যগুলি ব্যাকরন গ্রন্থ হিসেবে ধরা হত। পাণিনীয় অষ্টাধ্যায়ী উল্লেখযোগ্য।
ছন্দ কি?
উঃ- বেদ মন্ত্র পাঠের জন্য এবং উচ্চারণের জন্য ছন্দ শাস্ত্রের প্রয়োজন। বেদে ছন্দের সংখ্যা সাতটি। কিন্তু লৌকিক ছন্দ অর্থাৎ বর্তমানে ছন্দের সংখ্যা অনেক পিঙ্গলের ছন্দ সূত্র প্রাচীন গ্রন্থ।
জ্যোতিষ কি?
উঃ- বৈদিক কর্মের যথাযথ কাল নির্ধারণের জন্য জ্যোতিষ শাস্ত্রের জ্ঞান আবশ্যক রাশি নক্ষত্র তিথি প্রভৃতি জ্ঞান না থাকলে গৃহকর্ম ও শ্রৌত অনুষ্ঠান করা অসম্ভব হতো এই শাস্ত্রে কাল নক্ষত্র প্রভৃতি বর্ণিত রয়েছে।
একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত ও বৈদিক সাহিত্যের ইতিহাস
- সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস-একাদশ শ্রেণীর সাজেসন(ছোট প্রশ্ন-উত্তর)
- (টীকা) ঋকবেদ-একাদশ শ্রেণীর বৈদিক সাহিত্যের ইতিহাস
- একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত বোধ পরীক্ষণ