(টীকা) চরকসংহিতা-উচ্চ মাধ্যমিক সংস্কৃত | Charaksanghita sanskrit notes -Higher Secondary Sanskrit

চরকসংহিতা ( Charaksanghita ) টীকা ( for HS ) উচ্চ মাধ্যমিক সংস্কৃত চরকসংহিতা( Charaksanghita sanskrit notes – Higher Secondary Sanskrit).

চরকসংহিতা ( Charaksanghita ) টীকা

ভূমিকা:-

সুস্থ শরীর দীর্ঘ আয়ু লাভ করে কিন্তু এই দীর্ঘ আয়ুর পথে একমাত্র বাধা হল রােগব্যধি। এই রােগ নিরাময়ের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখাকে বলা হয় আয়ুর্বেদ।

এই আয়ুর্বেদ অনুসারে সর্বাপপেক্ষা প্রাচীন গ্রন্থটি হল চরকসংহিতা ( Charaksanghita )।এই গ্রন্থটি কোনাে একক ব্যক্তি রচয়িতা নয়। প্রাচীন আচার্য আত্রেয় তার চিকিৎসা পদ্ধতি শিষ্যদের বলেন এবং তার অন্যতম শিষ্য অগ্নিবেশ চরকসংহিতা ( Charaksanghita )রচনা করেন। এরপর দৃঢ়বল কিছুঅংশ সংযােজন করেন।

রচনাকাল:-

চরকসংহিতা চরক কতৃক সংকলিত খ্রিষ্টীয় প্রথম শতকে রচিত। গ্রন্থের বিন্যাস:- চরকসংহিতার( Charaksanghita ) ৮টি স্থান দেখাযায়।

স্থান গুলি হল- ১)সুত্র স্থান ২) নিদান স্থান ৩) বিমান স্থান ৪) শরীর স্থান৫) ইন্দ্রিয় স্থান ৬) চিকিৎসা স্থান ৭)কল্প স্থান ৮) সিদ্ধি স্থান

এই গ্রন্থের মােট অধ্যায় হল ১২০টি এবং ৯২৯৫টি সূত্র আছে।

চরকসংহিতা গ্রন্থের বৈশিষ্ট্য:-

চরক সংহিতা একগন কতৃক রচিত নয়। এর মূল প্রতিপাদ্য বিষয়কার চিকিৎসা অর্থাৎ শরীরের বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি এই গ্রন্থে উল্লেখিত। এছাড়া গ্রন্থের ভাষাও গদ্য ও পদ্যে মিশ্রিত।

কিংবদন্তী / নামকরণ:-

কিংবদন্তী অনুসারে ভগবান বিষ্ম মৎস অবতার রূপে জন্মগ্রহন করেন। তখন অনন্তদেব আয়ুবের্দ লাভ করেন। তিনি প্রাণীদের দুঃখ দূরকরার জন্য চর রূপে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছেন বলে চরক নামে বিখ্যাত হন। এই কারনে চিকিৎসা বিদ্যার গ্রন্থের নাম চরকসংহিতা। আবার কেউ কেউ বলেন চরক এক শ্রেণীর যাযাবর তাদের দ্বারা প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি চরকসংহিতা।

উপসংহার:-

শরীরের চিকিৎসার শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ চরক সংহিতা। এটি প্রাচীন ভারতের চিকিৎসা শাস্ত্রের দর্শন আরােগ্য বিষয় রচনা বর্তমানে প্রচলিত চিকিৎসার বহু পদ্ধতি চরকসংহিতা হতে গৃহীত হয়েছে।

বৈদিক সাহিত্যের অন্য পোস্টগুলি পড়ুন

উচ্চ মাধ্যমিক সংস্কৃত – জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিত

Leave a Comment