(টীকা) ঋকবেদ-একাদশ শ্রেণীর বৈদিক সাহিত‍্যের ইতিহাস

একাদশ শ্রেণীর বৈদিক সাহিত‍্যের ইতিহাস হতে ঋকবেদ টীকা কিভাবে লিখতে হবে তা তুলে ধরা হল। প্রশ্নের মান-৫।

বৈদিক সাহিত‍্যের ইতিহাস ঋকবেদ


ঋকবেদ টীকা

ভূমিকাঃ-

বেদ সমূহের মধ্যে ঋকবেদ প্রাচীনতম। ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর অন্তর্গত সমস্ত ভাষা প্রাচীনতম সাহিত্য ঋগ্বেদ। বর্তমানে UNESCO -এতে World heritage– এর মর্যাদা দান করেছে।


শাখাঃ-

বিভিন্ন গ্রন্থে ঋগ্বেদের পাঁচটি শাখা উল্লেখ থাকলেও, ঋকবেদের প্রধান শাখা দুটি- শাকল ও বাস্কল। এর মধ্যে বাস্কল বিলুপ্ত।


মন্ডল বিভাগঃ-

ঋকবেদে দশটি মন্ডল। প্রথম ও দশম মন্ডলটি প্রক্ষিপ্ত। দ্বিতীয় হতে অষ্টম মন্ডল কে পারিবারিক বা গোষ্ঠী মন্ডল বলে।অষ্টম মন্ডল এর নাম প্রগাথ মন্ডল এবং নবম মন্ডলের নাম সোমমন্ডল। ঋকবেদে দশটি মন্ডল থাকায় এর অপর নাম দশতয়ী।


ঋকবেদের ব্রাহ্মণঃ-

ঋকবেদে দুটি ব্রাহ্মণ-ঐতরেয় ও কৌষীতকি। এই ব্রাহ্মণ গুলিতে সোম যাগাদীর বিবরন রয়েছে।


ঋগবেদের আরণ‍্যকঃ-

ঋগ্বেদেের আরণ্যক গ্রন্থ দুটি -ঐতরেয় আরণ্যক ও কৌষীতকি আরণ্যক।


দেবতা ও ঋষিঃ-

ঋগবেদে অগ্নি, ইন্দ্র, রুদ্র,আদিত্য, ঊষা,সোম প্রভৃতি দেবতার স্তুতি দেখা যায়। ঋকবেদে মন্ত্র দশটা। ঋষিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মধুচ্ছন্দা, গৌতম, মেধাতিথি প্রভৃতি।


উপসংহারঃ-

ঋকবেদে ধর্মনিরপেক্ষ সূক্ত,সংবাদ সূক্ত ও দার্শনিক সূক্তের উল্লেখ রয়েছে। সংবাদ সূক্তের মধ্যে যম-যমী সংবাদ উল্লেখযোগ্য। দশম মন্ডলে হিরণ্যগর্ভ সূক্ত দার্শনিক সমূহের মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য।


বৈদিক সাহিত্যের ইতিহাসে ঋগ্বেদের একটি বিশিষ্ট স্থান আছে। প্রাচীন আর্যদের ভাবধারা রীতিনীতি বিভিন্ন যজ্ঞীয় কর্মের বিবরন দেখতে পাই।

Leave a Comment