গঙ্গাস্তোত্রম্

উচ্চ মাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত পদ্যাংশ গঙ্গাস্তোত্রম্ হতে শ্লোক গুলির অন্বয়, শব্দার্থ ও বঙ্গানুবাদ দেওয়া হল । উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণী সংস্কৃত পরীক্ষায় গঙ্গাস্তোত্রম হতে যে ধরনের প্রশ্ন আসে তা আলোচনা নিম্নে করা হয়েছে। Ganga stotram lyrics in bengali

রচয়িতা শ্রীশঙ্করাচার্য (আদি শঙ্করাচার্য্য)
শ্লোক১৪ টি শ্লোক
( ১০ শ্লোক সিলেবাসের অন্তর্গত)
মূল বিষয় গঙ্গার মাহাত্ম্য
জাতীয় স্তোত্র

Table of Contents

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ হতে শ্লোকগুলির অন্বয়, শব্দার্থ ও বঙ্গানুবাদ

এই গঙ্গাস্তোত্রম্ মূল রচনাতে ১৪ টি শ্লোক আছে , West Bengal Council Of Higher Secondary গঙ্গাস্তোত্রম পদ্যাংশ হতে ১০ শ্লোক সিলেবাসের অন্তর্গত করেছেন । নিচে শ্লোকগুলির অন্বয়, শব্দার্থ ও বঙ্গানুবাদ দেওয়া হল।

৷ শ্ৰীগঙ্গাস্তোত্রম্ ৷

শ্রীশঙ্করাচার্য্য

ভূমিকা

শ্রীশঙ্করাচার্য্য, যিনি আদি শঙ্করাচার্য্য নামে অধিক পরিচিত, ছিলেন অষ্টম শতাব্দীর একজন বিখ্যাত হিন্দু দার্শনিক ও অদ্বৈত বেদান্ত মতবাদের প্রধান প্রবক্তা। তাঁর মন্মসময় নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও মোটামুটিভাবে অষ্টম শতকটিকেই তাঁর জন্মসময় হিসাবে মান্যতা দেওয়া হয়। বর্তমান কেরালা রাজ্যের এর্ণাকুলাম জেলার কলদি গ্রামে তাঁর জন্ম। শঙ্করাচার্য্যের পিতা ছিলেন শিবগুরু; আর মাতা শিবতারকা।

মহাগুরু আদি শঙ্কর বা শ্রীশংকরাচার্য এর জীবনী – Adi Shankara Biography in Bengali 

শ্রীশঙ্করাচার্য্যের রচনাবলীকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ কর হয়–ভাষ্য (সাহিত্যের ব্যাখ্যা); প্রকরণ গ্রন্থ (দার্শনিক রচনা) এব স্তোত্র (ভক্তিমূলক রচনা)। এই সংকলনে শ্রীশঙ্করাচার্য্যের গঙ্গাস্তোত্রটি নির্বাচিত করার প্রধান উদ্দেশ্য হল এটির ছন্দমাধুর্য। ভারতবর্ষের প্রধান নদী গঙ্গা আর এই নদীর উৎপত্তি সম্পরে অনেক পৌরানিক কাহিনি প্রচলিত আছে। গঙ্গানদীকে আমর দেবীজ্ঞানে পূজা করি গঙ্গাজলে আমরা পবিত্র হই। সৌ পুণ্যসলিলা নদীর প্রতি কবির ভক্তিনম্র প্রণাম।

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ শ্লোক -১

দেবি সুরেশ্বরি ভগবতি গঙ্গে ত্রিভুবনতারিণি তরলতরঙ্গে।

শঙ্করমৌলিবিহারিণি বিমলে মম মতিরাস্তাং তব পদ কমলে।

অন্বয় ও শব্দার্থঃ-

দেবি (হে দেবি) সুরেশ্বরি (হে দেবতাদেরর দেবী) ভগবতি (হে ভগবতি) গঙ্গে (গঙ্গা) ত্রিভুতারিণি (ত্রিভুবনের ত্রাণকর্ত্রী) তরলতরঙ্গে (চঞ্চল তরঙ্গা যুক্তা)। শঙ্কর (শিবের) মৌলি (মস্তকে) বিহারিণি (বিচরণ কারিণি) বিমলে (নির্মলা) মম (আমার) মতি: (মন) আস্তাং (থাকুক) তব (তোমার) পদকমলে (পদকমলে)।

বঙ্গানুবাদ

হে দেবি গঙ্গা, দেবগণের ঈশ্বরী, ভগবতি, ত্রিভুবনের ত্রাণকর্ত্রী চঞ্চল তরঙ্গা। শিবের মস্তকে বিচরণ কারিণি, হে নির্মলা ! আমার (শঙ্করাচার্য) মন থাকুক তোমার (গঙ্গা) পদকমলে।

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ শ্লোক -২

ভাগীরথি সুখদায়িনি মাতঃ তব জলমহিমা নিগমে খ্যাত:।

নাহং জানে তব মহিমানং পাহি কৃপাময়ি মামজ্ঞানম্।

অন্বয় ও শব্দার্থঃ-

ভাগীরথি (হে ভাগীরথি) সুখদায়িনি (হে সুখদাত্রী) মাত: (মা) তব (তোমার) জলমহিমা (জলের মহিমা) নিগমে (বেদাদি শাস্ত্রে) খ্যাত: (বিখ্যাত)। ন (না) অহং (আমি) জানে (জানি) তব (তোমার) মহিমানং (মহিমা) পাহি (রক্ষা করো) কৃপাময়ি (হে কৃপাময়ি) মাম্ (আমাকে) অজ্ঞানম্ (জ্ঞাহীনকে)।

বঙ্গানুবাদ

হে ভাগীরথি, সুখদাত্রী মা, তোমার (গঙ্গা) জলের মহিমা বেদাদি শাস্ত্রে বিখ্যাত। আমি (শঙ্করাচার্য) তোমার মহিমা জানি না, হে কৃপাময়ি, আমার (শঙ্করাচার্য) মতো জ্ঞাহীনকে রক্ষা করো।

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ শ্লোক-৩

হরিপাদপদ্মতরঙ্গিনি গঙ্গে হিমবিধুমুক্তা ধবলতরঙ্গে।
দুরীকুরু মম দুষ্কৃতিভারং কুরু কৃপয়া ভবসাগরপারম্।

অন্বয় ও শব্দার্থঃ-

হরিপাদপদ্ম (শ্রী হরির চরনপদ্মে),তরঙ্গিনি(তরঙ্গযুক্তা),গঙ্গে(হে গঙ্গা),হিমবিধুমুক্তা(বরফ, চন্দ্র ও মুক্তা),ধবলতরঙ্গে(শুভ্র তরঙ্গযুক্ত) মম(আমার),দুঃস্কৃতিভারম (অপকর্মের ভার),দূরীকুরু(দূর কর) কুরু কৃপয়া(কৃপা করে ) ভবসাগরপারম্(সংসার সমুদ্র পার)।

বঙ্গানুবাদঃ-

শ্রী হরির চরণপদ্ম থেকে নির্গত হে মা গঙ্গা, তুমি বরফ,চন্দ্র ও মুক্তার মতো শুভ্র তরঙ্গযুক্তা। তুমি আমার সমস্ত অপকর্ম দূর করো। দয়া করে আমাকে সংসার সমুদ্র থেকে পার করো।

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ শ্লোক-৪

তব জলমমলং যেন নিপীতং পরমপদং খলু তেন গৃহীতম্।
মাতর্গঙ্গে ত্বয়ি যো ভক্তঃ কিল তং দ্রষ্টুং ন যমঃ শক্তঃ।

অন্বয় ও শব্দার্থঃ-

তব(তোমার), জলম্(জল) অমলম্(পবিত্রজল) যেন(যার দ্বারা) নিপীতং(পান করা হয়েছে) পরমপদং(শ্রেষ্ঠ স্থান ) খলু(নিশ্চিৎভাবে),তেন(তার দ্বারা) গৃহিতভ(গ্রহন করা হয়েছে) মাতঃ(হে মা) গঙ্গে(হে গঙ্গা) ত্বয়ি(তোমাকে) যো(যে) ভক্ত (ভক্তি করে) ত্বং(তাকে) কিল(অবশ‍্যই) যমঃ(যমরাজ) দ্রষ্টুং(দেখতে) ন শক্তঃ( পারে না)।

বঙ্গানুবাদ-

তোমার পবিত্র জল যে পান করেছে নিশ্চিতভাবে সেই ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ স্থান লাভ করেছে। হে মা গঙ্গা যে তোমাকে ভক্তি করে যমরাজও তাকে স্পর্শ করতে পারে না।

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ শ্লোক-৫

পতিতোদ্ধারিনী জাহ্নবি গঙ্গে খন্ডিত গিরিবরমন্ডিত ভঙ্গে।
ভীষ্মজননী হে মুনিবরকন‍্যে পতিতনিবারিনী ত্রিভুবনধন‍্যে।।

অন্বয় ও শব্দার্থঃ-

পতিত উদ্ধারিনী(পতিতদের উদ্ধারকারিনী) জাহ্নবি(জাহ্নবি) গঙ্গে(হে গঙ্গা) খন্ডিত(খন্ড খন্ড) গিরিবর(হিমালয়) মন্ডিত(শোভিত) ভঙ্গে(চলার ভঙ্গিমায়/ তরঙ্গ) ভীষ্মজননী(ভীষ্মদেবের মাতা) হে মুনিবর কন‍্যে(হে মুনি শ্রেষ্ঠ জহ্নুর কন‍্যা) পতিতনিবারিনী(পতিতদের পারকারিনী) ত্রিভুবন ধন‍্যে (তিন ভুবনের প্রশংসীতা)।

বঙ্গানুবাদঃ-

হে গঙ্গা! তুমি পতিতদের উদ্ধারকারিণী হে জাহ্নবি হিমালয়কে খন্ড খন্ড করে তুমি তরঙ্গ আকারে শোভিত। ভীষ্মমাতা, হে মুনি শ্রেষ্ঠ জহ্নুর কন‍্যা তুমি পতিতদের পারকারিনী। তুমি ত্রিভুবনের প্রশংসিতা।

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ শ্লোক-6

কল্পলতামিব ফলদাং লোকে প্রণমতি যস্ত্বাং ন পততি শোকে
পারাবারবিহারিনি গঙ্গে বিমুখযুবতিকৃততরলাপাঙ্গে।

অন্বয় ও শব্দার্থঃ-

কল্পলতামিব(কল্প বৃক্ষের মতো) ফলদাং (ফলদান করো) লোকে(পৃথিবীতে)। প্রণমতি(প্রণাম করে)। যঃ(যে) ত্বাম্(তোমাকে) ন পততি(পতিত হয়না) শোকে(শোকে) পারাবার বিহারিনি(সমুদ্রে ভ্রমণকারিনী) গঙ্গে(হে গঙ্গা) বিমুখ যুবতি(যুবতিগন মুখ ফিরিয়ে) তরলা অপাঙ্গে(চঞ্চল দৃষ্টি নিক্ষেপ) কৃত(করে)।

বঙ্গানুবাদঃ-

হে গঙ্গা! তুমি কল্পলতার মতো পৃথিবীতে ফল দান করো। তোমাকে যে প্রণাম করে সেই ব্যক্তি কখনও শোক গ্রস্ত হয় না। হে দেবি! সমুদ্রে ভ্রমণ কারী তোমার প্রতি যুবতিগন চঞ্চল দৃষ্টি নিক্ষেপ করে।

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ শ্লোক-৭

তব কৃপয়া চেন্মাতঃ স্রোতঃ স্নাতঃ পুনরপি জঠরে সঃ-অপি ন জাতঃ।
নরকনিবারিনি জাহ্নবি গঙ্গে কলুষবিনাশিনি মহিমোতুঙ্গে।।৭

অন্বয় ও শব্দার্থঃ-

মাতঃ( হে মা) তব কৃপয়া(তোমার কৃপায়) স্রোত(স্রোতে/জলে) চেৎ(যদি) স্নাতঃ (স্নান করে)। পুনরপি(পুনরায়) সোঅপি(সেই ব‍্যাক্তি) জঠরে(মাতৃগর্ভে) ন জাতঃ( জন্মগ্রহন করে না) জাহ্নবি(হে জাহ্নবি) গঙ্গে (হে গঙ্গা) নরক নিবারিনি(নরক থেকে নিবারন কারিনী) কলুষবিনাশিনি(পাপ বিনাশ কারিনী) মহিমা-উত্তুঙ্গে(মহিমাতে উচ্চস্থানে প্রতিষ্ঠাতা)।

বঙ্গানুবাদঃ-

হে মা গঙ্গা! কেও যদি তোমার স্রোতে স্নান করে সেই ব্যক্তি পুনরায় মাতৃগর্ভে জন্মগ্রহণ করেন না। হে জাহ্নবি তুমি নরক নিবারণী। হে গঙ্গা তুমি পাপ বিনাশিনী। মহিমাতে তুমি উচ্চস্থানে প্রতিষ্ঠাতা।

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ শ্লোক-৮

পুনরসদঙ্গেঃ পুণ‍্যতরঙ্গে জয় জয় জাহ্নবি করুণাপাঙ্গে।
ইন্দ্রমুকুটমনিরাজিত চরনে সুখদে শুভদে ভৃত‍্যশরণ‍্যে।।৮

অন্বয় ও শব্দার্থঃ-

পুনরসদঙ্গে (উজ্জ্বল অঙ্গযুক্তা) পুণ‍্যতরঙ্গে(পবিত্র তরঙ্গাযুক্তা)। করুণা অপাঙ্গে(কৃপাদৃষ্টিময়ি)।ইন্দ্র মুকুটমনি( ইন্দ্রের মুকুটের মনি) রাজিত(শোভিত) চরণ(পায়ে) সুমদে(সুখদাত্রী) শুভদে(মঙ্গলকারিনী) ভৃত‍্যশরন‍্যে(ভৃত‍্যের আশ্রয় রুপিনী) জাহ্নবি(হে জাহ্নবী) জয় জয় (জয় হোক,জয় হোক)।

বঙ্গানুবাদঃ-

উজ্জল অঙ্গযুক্তা, পবিত্র তরঙ্গ যুক্তা, হে জাহ্নবী! তুমি কৃপা দৃষ্টি ময়ি। ইন্দ্রের মুকুটমণি তোমার চরণে শোভিত। তুমি সুখ দায়িনী,তুমি মঙ্গলকারিণী। তুমি ভৃত‍্যের আশ্রয়রূপিনী।তোমার জয় হোক, জয় হোক।

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ শ্লোক-৯

রোগং শোকং তাপং পাপং হর মে ভগবতি কুমতিকলাপম্।
ত্রিভুবনসারে বসুধাহারে ত্বমসি গতির্মম খলু সংসারে।।৯

অন্বয় ও শব্দার্থঃ-

ভগবতি(হে ভগবতি) মে(আমার) রোগং(রোগ) শোকং(শোক) তাপং(মনস্তাপ) পাপং(পাপ) কুমতিকলাপম্(সমস্ত দুর্মতি) হর(দুর কর) ত্রিভুবনসারে(তিন ভুবনের শ্রেষ্ঠা) বসুধাহারে( পৃথিবীর মালা স্বরূপ) সংসারে(জগৎ সংসারে) ত্বম্(তুমি) খলু(নিশ্চিতভাবে) মম(আমার) গতি(আশ্রয়) অসি(হয়)।

বঙ্গানুবাদঃ-

হে ভগবতি! তুমি আমার রোগ,শোক, তাপ, পাপ সমস্ত দুর্মতি দূর কর। হে ত্রিভুবন শ্রেষ্ঠী পৃথিবীর কন্ঠমালা স্বরূপা হে দেবী গঙ্গা! এই জগত সংসারে তুমি আমার একমাত্র আশ্রয়।

গঙ্গাস্তোত্রম্ পদ্যাংশ শ্লোক-১০

অলকানন্দে পরমানন্দে কুরু করুণাময়ি কাতরবন্দে।
তব তটনিকটে যস‍্য নিবাসঃ খলু বৈকুন্ঠ‍্যে তস‍্য নিবাসঃ।।১০

অন্বয় ও শব্দার্থঃ-

অলকানন্দে(হে অলকানন্দ) পরমানন্দে(পরম আনন্দরূপিনী) কাতর বন্দে(কাতর ব‍্যাক্তিদের দ্বারা বন্দিতা) ময়ি(আমার প্রতি) করুনাম্(করুনা) কুরু(কর) তব(তোমার) তটনিকটে(তীরের কাছে) যস‍্য (যার) নিবাস(বাসভূমি)খলু(নিশ্চিতভাবে) তস‍্যা(তার)বৈকুন্ঠে( স্বর্গে ) নিবাস( বসবাস)।

বঙ্গানুবাদঃ-

হে অলকানন্দা, হে পরমানন্দা, তুমি দীন-দরিদ্রদের দ্বারা বন্দিতা। তুমি আমার প্রতি কৃপা করো। তোমার তীরের কাছে যার বসবাস সেই ব্যক্তি নিশ্চিতভাবে স্বর্গ সুখ লাভ করে।

গঙ্গাস্তোত্রম হতে নিচে প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হল

গঙ্গাস্তোত্রম্ হতে ভাবসম্প্রসারণগুলি দেখুন

একাদশ শ্রেণীদ্বাদশ শ্রেণী
Class XI SyllabusHS Syllabus
Class XI Question 2015HS Question 2015
Class XI Question 2016HS Question 2016
Class XI Question 2017HS Question 2017
Class XI Question 2018HS Question 2018
Class XI Question 2019HS Question 2019
2020 (NO EXAM)2020 (NO EXAM)
2021 (NO EXAM)2021 (NO EXAM)
Class XI Question 2022HS Question 2022
একাদশ শ্রেণী সাজেশনদ্বাদশ শ্রেণী সাজেশন
একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত সাজেশন 2023HS Sanskrit Suggestion 2023
MCQ সাজেশনদ্বাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত প্রকল্প
ছোটো প্রশ্ন উত্তর সাজেশনবাংলা থেকে সংস্কৃত অনুবাদ সাজেশন
বোধ পরীক্ষণ সাজেশনসংস্কৃত প্রবন্ধ রচনা সাজেশন
ব্যাকরণ সাজেশনব্যাকরণ সাজেশন

Leave a Comment